ইউএসএ (USA) বা ইউরোপের রেগুলেশন অনুযায়ী, যেসব পণ্যের শেলফ লাইফ ৩০ মাসের বেশি, সেগুলোর গায়ে নির্দিষ্ট ‘Expiry Date’ লেখা বাধ্যতামূলক নয়। তবে আমরা ব্যাচ কোড এবং লট অনুযায়ী সঠিক মেয়াদের পণ্য নিশ্চিত করি। সাধারণত মুখ না খোলা অবস্থায় এসব পণ্য ৩ বছর পর্যন্ত ভালো থাকে

নতুন পণ্য ব্যবহারের আগে কানের পেছনে বা হাতের কনুইয়ের ভাঁজে অল্প একটু লাগিয়ে ২৪-৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। যদি কোনো চুলকানি, লাল ভাব বা জ্বালাপোড়া না হয়, তবে প্রোডাক্টটি মুখে ব্যবহার করা নিরাপদ

যদি Retinol বা Acid ব্যবহারের পর সচরাচর ব্রণ হওয়ার স্থানে ছোট দানা ওঠে, তবে তা ‘Purging’ (ত্বক পরিষ্কার হওয়ার প্রক্রিয়া), যা ৪-৬ সপ্তাহে ঠিক হয়। আর যদি নতুন জায়গায় লাল, ব্যথাযুক্ত ব্রণ হয় এবং সহজে না সারে, তবে তা ‘Breakout’ বা রিঅ্যাকশন, সেক্ষেত্রে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

ভিটামিন সি আলোর সংস্পর্শে সামান্য অক্সিডাইজ হয়ে হলদে হতে পারে, এতে কার্যকারিতা নষ্ট হয় না। তবে রঙ খুব গাঢ় বাদামী হয়ে গেলে ব্যবহার না করাই শ্রেয়। পণ্য ভালো রাখতে সবসময় ঠান্ডা ও অন্ধকার স্থানে সংরক্ষণ করুন

সব অ্যালকোহল খারাপ নয়। ফ্যাটি অ্যালকোহল (যেমন: Cetyl, Stearyl Alcohol) ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে। অন্যদিকে ‘Denatured Alcohol’ প্রোডাক্টকে লাইটওয়েট করতে ব্যবহৃত হয়। আপনার ত্বক খুব সেন্সিটিভ না হলে এটি নিরাপদ। এটি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর নয় যদি সঠিক ফর্মুলায় থাকে

ব্র্যান্ডগুলো তাদের সাপ্লাই চেইন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে (যেমন: ফ্রান্স, চীন, পোল্যান্ড) পণ্য উৎপাদন করে। একে ‘Market Variant’ বলা হয়। যেমন আইফোন চীনে তৈরি হলেও ডিজাইন অ্যাপলের। তেমনি ব্র্যান্ডের মান ঠিক রেখে বিভিন্ন দেশে পণ্য তৈরি হতে পারে

Fragrance-Free’ অর্থ হলো পণ্যটিতে আলাদা কোনো কৃত্রিম সুগন্ধি যোগ করা হয়নি। ফলে পণ্যে ব্যবহৃত কাঁচামাল বা ইনগ্রিডিয়েন্টের নিজস্ব একটি গন্ধ (raw smell) থাকতে পারে, যা আপনি পাচ্ছেন

আগের লেয়ার (যেমন ময়েশ্চারাইজার) পুরোপুরি ত্বকে শুষে না যাওয়ার আগেই সানস্ক্রিন লাগালে এমন হতে পারে। প্রতিটি লেয়ারের মাঝে ২-৩ মিনিট গ্যাপ দিন এবং ঘষাঘষি না করে আলতোভাবে লাগান

আলফা আরবুটিন তাপমাত্রার কারণে সামান্য রঙ পরিবর্তন করতে পারে। The Ordinary সহ অনেক ব্র্যান্ড নিশ্চিত করেছে যে এই রঙ পরিবর্তনে পণ্যের কার্যকারিতায় কোনো প্রভাব পড়ে না

অনেক এয়ারলেস পাম্প (Airless Pump) বোতলে বাতাস আটকে গেলে এমন হতে পারে। পণ্যটি উল্টো করে কিছুক্ষণ রাখুন বা কয়েকবার জোরে পাম্প করুন, বাতাস বের হয়ে গেলে ঠিক হয়ে যাবে

অতিরিক্ত সিবাম (তেল) বা বাতাসের ধুলোবালি প্রোডাক্টের সাথে মিশে অক্সিডাইজ হলে ত্বক সাময়িক কালচে দেখাতে পারে। দিনশেষে ডাবল ক্লেনজিং করলে এই ভাব চলে যায়

রেটিনল বা শক্তিশালী একটিভ ব্যবহারের সময় ইরিটেশন কমানোর পদ্ধতি। প্রথমে ময়েশ্চারাইজার > তারপর রেটিনল > শেষে আবার ময়েশ্চারাইজার লেয়ার করাকে স্যান্ডউইচ মেথড বলে

সবসময় পাতলা টেক্সচার থেকে ঘন টেক্সচারে যেতে হবে (Thinner to Thicker)। যেমন: টোনার > সিরাম > ময়েশ্চারাইজার > অয়েল

Checkfresh বা এই ধরণের সাইটগুলো থার্ড-পার্টি ডাটাবেস, ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল সাইট নয়। অনেক সময় তাদের তথ্য আপডেট থাকে না। তাই প্রোডাক্টের ফিজিক্যাল কন্ডিশন ও আমাদের তথ্যের ওপর ভরসা করাই উত্তম

ব্র্যান্ডগুলো নিয়মিত তাদের প্যাকেজিং এবং লেবেল ডিজাইন আপডেট করে। তাছাড়া ওয়েবসাইটের ছবিগুলো গ্রাফিক্যাল রিপ্রেজেন্টেশন হওয়ায় আলো বা স্ক্রিন রেজোলিউশনের কারণে রঙ সামান্য ভিন্ন মনে হতে পারে

হায়ালুরনিক অ্যাসিড সবসময় ভেজা বা ড্যাম্প ত্বকে ব্যবহার করতে হয়। শুকনো ত্বকে ঘষাঘষি করলে এটি ফেনার মতো সাদা হয়ে যেতে পারে। এটি আলতো করে চেপে চেপে (dabbing) লাগাতে হয়

শুরুতেই হাই কনসেন্ট্রেশন ব্যবহার করলে স্কিন ব্যারিয়ার ড্যামেজ হতে পারে। ত্বককে ধীরে ধীরে মানিয়ে নিতে লোয়ার কনসেন্ট্রেশন দিয়ে শুরু করা সবচেয়ে নিরাপদ

হ্যাঁ, আবহাওয়ার সাথে ত্বকের ধরণ বদলায়। গরমে ত্বক তৈলাক্ত হলে লাইটওয়েট বা জেল বেসড প্রোডাক্ট এবং শীতে শুষ্ক হলে ক্রিম বেসড বা হাইড্রেটিং প্রোডাক্ট বেছে নেওয়া উচিত

মুখ ও গলার জন্য অন্তত দুই আঙুল (2 Finger Rule) পরিমাণ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। পরিমাণে কম হলে সঠিক প্রোটেকশন পাওয়া যায় না

সবার স্কিন মাইক্রোবায়োম ভিন্ন। কোনো প্রোডাক্ট ‘ফাাঙ্গাল একনি সেফ’ মানেই সেটি সবার সুট করবে এমন নয়। অন্য কোনো ইনগ্রেডিয়েন্ট থেকেও আপনার সেন্সিটিভিটি হতে পারে

এটি একটি সাধারণ রেটিং মাত্র। ব্যক্তিগত স্কিন টাইপ, আবহাওয়া বা ডাবল ক্লেনজিং ঠিকমতো না করার কারণে নন-কমেডোজেনিক প্রোডাক্টও পোরস ক্লগ করতে পারে

বেনজয়েল পারঅক্সাইড একটি ব্লিচিং এজেন্ট যা কাপড়ের রঙ নষ্ট করতে পারে, তবে এটি ত্বকের রঙ নষ্ট করে না। ব্যবহারের পর হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলা উচিত

এটি অনেক সময় মৃত কোষ, সিবাম এবং প্রোডাক্টের অবশিষ্টাংশ (Product Residue) বা ‘Grimes’। এটি দূর করতে অয়েল ক্লেনজিং বা জেন্টাল এক্সফোলিয়েশন করা জরুরি

অতিরিক্ত গরমে বা দীর্ঘক্ষণ স্থির থাকলে ফর্মুলার তেল ও পানির অংশ আলাদা হতে পারে। ব্যবহারের আগে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিলে এটি ঠিক হয়ে যায়। তবে গন্ধ বা রঙ খুব বাজে হলে ব্যবহার করবেন না

ব্র্যান্ডের সাপ্লাই চেইন অনুযায়ী ড্রপারের ডিজাইনে ভিন্নতা থাকতে পারে। ক্যাপের ডিজাইন পরিবর্তন মানেই প্রোডাক্টটি নকল নয়

হ্যাঁ। মেঘলা দিনেও সূর্যের ক্ষতিকর UV রশ্মি মেঘ ভেদ করে আসে যা ত্বকের ক্ষতি করে। তাই দিনের বেলা সবসময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত

বাতাসের আর্দ্রতা বা প্রেশারের কারণে পাউডার পণ্য দলা পাকিয়ে যেতে পারে। এটি স্বাভাবিক এবং এতে গুণাগুণ নষ্ট হয় না। চামচ দিয়ে চাপ দিলেই আবার পাউডার হয়ে যাবে

বাতাসের সংস্পর্শে এলে কিছু সিরাম (বিশেষ করে যেগুলো দ্রুত শুকায়) বোতলের মুখে ক্রিস্টালাইজ হতে পারে বা চিনির দানার মতো জমতে পারে। এটি প্রোডাক্ট নষ্ট হওয়ার লক্ষণ নয়

একটি প্রোডাক্ট অনেকদিন ব্যবহারের ফলে গন্ধ নাকে সয়ে যায় এবং পুরোনো বোতলের গন্ধ সময়ের সাথে উবে যায়। নতুন বোতল খোলার পর ফ্রেশ ইনগ্রেডিয়েন্টের গন্ধ তাই কিছুটা কড়া মনে হতে পারে

পণ্যের গায়ে ওজনে (ml/gm) যা লেখা থাকে, ঠিক ততটুকুই থাকে। প্যাকেজিং বা বোতলটি সুরক্ষার জন্য বা ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য বড় হতে পারে, কিন্তু পরিমাপে সঠিক থাকে

আমাদের স্টক নিয়মিত আপডেট হয় (FIFO method)। অর্ডারের সময় হয়তো আগের লট ছিল, ডেলিভারির সময় নতুন লটের পণ্য পাঠানো হতে পারে। তবে আমরা নিশ্চিত করি কাস্টমার সবসময় ব্যবহারযোগ্য মেয়াদের পণ্যই পাবেন

আবহাওয়ার পরিবর্তন, হরমোনাল চেঞ্জ বা স্কিন ব্যারিয়ারের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ত্বকের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। তাছাড়া ব্র্যান্ডগুলো মাঝেমধ্যে ফর্মুলা রিফর্মুলেট করে

Sensitive স্কিন জন্মগত বা জেনেটিক। আর Sensitized স্কিন হলো ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার বা আবহাওয়ার কারণে সাময়িকভাবে স্কিন ব্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া। ব্যারিয়ার রিপেয়ার করলে Sensitized স্কিন ঠিক হয়ে যায়